বিমোক্ষ/ (উৎসব ১৪২৮)/দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়
হলুদ ডালিয়া হেলে পড়ে হাসিমুখে। চন্দ্র মল্লিকার নিজেদের সাথে কানাকানি।জিনিয়ারা আপন আনন্দে খিলখিল।লাল হলুদ গাঁদা পালক পিতার দিকে আবেগভরা চোখে।গোলাপের বুকেও আজ মনকেমনের শিহরণ। বারান্দা বাগানের প্রতিটা সবুজ প্রাণ ভালোবেসে বিহান সহায়। গতানুগতিকতার মোড়কে জীবন এখন বিহানের।ছেলেবেলায় বাবার হাত ধরে গড়ে ওঠা অভ্যাসে ভোরে প্রকৃতি সন্নিকর্ষে ওর দিন শুরু।বাবা বলতেন ' ভৈরো ' সময়। প্রাণের প্রথম প্রৈতি যেন এই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাবার গলায় তখন গুনগুন করে না - জানা আলাহিয়া বা বিলাবল।সৌমনস্যভরা মন বাবার হাতের স্পর্শে তখন। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বিহানের অবসর জীবনে কষ্টজড়িমায় আবাহন যেন দিনের বাকি সময়ে।রিষ্টিনাশা সুখের দীধিতি উধাও কোন অজানায় !সকাল নাকি সবসময় বাকি দিনের ইঙ্গিত দেয়! মুচকি হেসে ফেলল বিহান।ভুল ভুল, বড়ো ভুল ।ওর জীবন তাহলে স্যন্দিত দুঃখের আলাপন হতো না। ব্যাঙ্কের চাকরির সিদ্ধান্তটা ওর নিজের। অঙ্কের শিক্ষক বাবা চেয়েছিলেন ছেলে উচ্চ শিক্ষা চালিয়ে যাক। গবেষণা করে নিজের সৌরভ ছড়াক। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ওর প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় হওয়া বাবা মার আগ্রহের সলতেতে আগুন দেবে স্বাভাবিক। ...