পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবি শুভদীপ দে র কবিতা সংকলনের পাঠ প্রতিক্রিয়া

     বুকের নিকোনো উঠোনের আলপনায় সে জেগে থাকে                                  দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়                       উত্তরপাড়া, হুগলি  প্রকাশক প্রিয় ধীমান ব্রম্ভ্রচারীর 'এবং অধ্যায় ' প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত সবুজ সৌভিক কবি শুভদীপ দে র কবিতার বই ' মানচিত্র কখনও দেশ হতে পারে না 'য় দেশভাগের যন্ত্রণা ও তার মন্থণে উৎসারিত গরল কবির কবিতাকে এক করুণ রাগে প্রদৃপ্ত করে তুলেছে।দেশ মানে শুধু" মৃৎপিন্ড জলরেখয়া বলয়িতঃ" নয়, দেশ মানে বুকভরা আবেগের এসরেণু যেখানে নিকোনো উঠোনে খেলে বেড়ায় সমাঘ্রাত ভালোবাসা সঙ্গে  নিয়ে।শুরুর শুরুটা শুরু করার শুরুতেই কবির কথায় বলা যায় :"দেশ মানে শাসন, শোষণ,নীতি, রীতি ছাড়াও অব্যক্ত অনেক কথা। আবেগ, কান্না, উচ্ছাস কিংবা ভেঙে যাওয়া শেষ চৈত্রের বেড়া।" এই বেড়া ভেঙে জীবনের কষ্টের ভাওলি খুঁজে ফেরেন কবি শুভদীপ তার অনন্য সৃজনে। কবিতার অক্ষরে অক্ষরে যেন জীবনানন্দ দাশের প্লাবন --- "রয়েছি সবুজ মাঠে ---ঘাসে...

ঘিরে থাকে যারা আমার যাপনকে

রবীন্দ্রনাথ আমাদের বাড়িতে থাকতেন দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় আমার ছেলেবেলা মানে রবীন্দ্র জারণের সময়। খুব ছোট্ট বয়সেই শুনতে থাকি, আমাদের বাড়ি শান্তিনিকেতন। চারদিকে সবুজ।আম, পেয়ারা,কাঁঠাল,লেবু,সুপারি দুলে দুলে জানান দেয় তাদের অস্তিত্ব। মায়ের মারের হাত থেকে বাঁচতে ছুটে পেয়ারা গাছে।আম, কাঁঠাল আমার দস্যিপণায় মুচকি হাসতো খুব।অতো বড়ো বাড়িতে মাঝে মাঝেই আমার চলতো দৌড়,দৌড়,দৌড়।একা একা। মায়ের হাসি তখন বাঁধ ভেঙেছে। মায়ের 'কিচেন গার্ডেনে' তখন ঢ্যাঁড়স, বেগুন, লঙ্কা, ঝিঙে, পুঁই,কুমড়ো আপন ছন্দে পরমানন্দে।বাবা বলতেন,মা ধরিত্রী কন্যা যেন।যাই পোঁতে মাটিতে ,তাই আকাশ পানে উর্দ্ধবাহু। সবুজ মানবী যেন।এক কোণে করবী দাঁড়িয়ে।দরজায় মাথায় বেগনভেলিয়া (কাগজ ফুল) বেশ পা ছড়িয়ে বসে।তুলসী মঞ্চে সন্ধ্যায় জ্বলে প্রদীপ।নিকানো উঠোনে মায়ের হাতের আলপনা।এক অদ্ভুত ভালোলাগার চাদর ছড়িয়ে সারা বাড়ি জুড়ে।অভাব থাকলেও তা পাত্তা পায় না আমার এই শান্তিনিকেতনে। রাত্রে পড়া হয়ে গেলে উঠোনে খাটিয়ায় শুয়ে মায়ের গলায় গান।মাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে সেই বয়সেই দাড়িদাদুর জন্য কেমন এক ভালোবাসা। গানের মানে বুঝতাম ন...

কবিতার স্বর

ছবি